Sat. Apr 17th, 2021

gets24.com

Education For All

চতুর্থ শিল্প বিপ্লব/ 4th Industrial Revolation

1 min read
4th Industrial Revolation

4th Industrial Revolation

# শিল্প বিপ্লবের ইতিহাসঃ চতুর্থ শিল্প বিপ্লব—–

পৃথিবীর ইতিহাসে এখন পর্যন্ত তিনটি শিল্প বিপ্লব ঘটেছে যা বদলে দিয়েছে সারা বিশ্বের গতিপথ।

# ১৭৮৪ সালে প্রথম শিল্পবিপ্লবটি হয়েছিল পানি ও বাষ্পীয় ইঞ্জিনের নানামুখী ব্যবহারের কৌশল আবিষ্কারের মাধ্যমে।

# এরপর ১৮৭০ সালে বিদ্যুত আবিষ্কারের ফলে পাল্টে যায় মানুষের জীবনের চিত্র। শারীরিক শ্রমের দিন কমতে থাকে দ্রুততর গতিতে। এটিকে বলা হয় দ্বিতীয় শিল্পবিপ্লব।

# এর ঠিক ১০০ বছরের মাথায় ১৯৬৯ সালে আবিষ্কৃত হয়েছিল ইন্টারনেট। ইন্টারনেটের আবির্ভাবে তৃতীয় শিল্পবিপ্লবের সময় তথ্যপ্রযুক্তির সহজ ও দ্রুত বিনিময় শুরু হলে সারা বিশ্বের গতি কয়েকগুণ বেড়ে যায়।


চতুর্থ শিল্প বিপ্লব:

যে বিপ্লব পাল্টে দেবে মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রার চিরচেনা রূপ। এতটাই পরিবর্তন আসবে যা মানুষ আগে কল্পনাও করতে পারেনি।

চতুর্থ শিল্প বিপ্লব:

## চতুর্থ শিল্প বিপ্লবে ১০টি প্রযুক্তিকে ‘পয়েন্ট আউট’ করা হয়েছে- “আগামী দিনে এই ১০টি টেকনোলজি সারা পৃথিবী বিট করবে। এ টেকনোলজিগুলোকে গুরুত্ব দিতে হবে। আমাদের বেশ কয়েকটা গার্মেন্টসে এবং ফার্নিচার ইন্ডাস্ট্রিজে রোবট ব্যবহার শুরু করে দিয়েছে। অনেক গার্মেন্টস একটা খাত মেকানাইজ করে দিচ্ছে। সেক্ষেত্রে আমাদের ম্যানপাওয়ারকে শিফট করে দিতে হবে।

*** ১০ টি প্রযুক্তি হল:-

১.অ্যাডভান্সড ম্যাটেরিয়ালস

২.ক্লাউড টেকনোলজি

৩. অটোনোমাস ভেহিকল

৪.সিনথেটিক বায়োলজি

৫.ভার্চ্যুয়াল অগমেন্টেড রিয়েলিটি

৬.আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স

৭.রোবট

৮.ব্লাক চেইন

৯. থ্রিডি প্রিন্টিং ও

১০. ইন্টারনেট অব থিংকস বা আইওটি।

শিল্প বিপ্লবের ক্ষেত্রে তিনটি সমস্যা দেখা দেবে মেশিন বা রোবট অনেক মানুষকে রিপ্লেস করে ফেলবে।

স্মার্টফোনের মাধ্যমে সারা বিশ্বের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের পরিবর্তন, ইন্টারনেট অব থিংস, যন্ত্রপাতি পরিচালনায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রয়োগ, রোবোটিকস, জৈবপ্রযুক্তি, কোয়ান্টাম কম্পিউটিংয়ের মতো বিষয়গুলো চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের সূচনা করেছে ।

আসছে চতুর্থ শিল্প বিপ্লব:

সামনে আসছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং ইন্টারনেট অব থিংস বা যন্ত্রের ইন্টারনেট যা কিনা সম্পূর্র্ণ রূপেই মানবসম্পদের বিকল্প হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে!  এই ডিজিটাল বিপ্লবকে কেন চতুর্থ শিল্পবিপ্লব বলা হচ্ছে, সেটি নিয়ে আলোচনার জন্য সারা বিশ্বের রাজনৈতিক নেতা, বহুজাতিক কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী, উদ্যোক্তা, প্রযুক্তিবিদ ও বিশ্লেষকরা জড়ো হয়েছেন সুইজারল্যান্ডের শহর দাভোসে। সেখানে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) বার্ষিক সম্মেলনে আলোচনার অন্যতম বিষয় হচ্ছে চতুর্থ শিল্পবিপ্লব। ডিজিটাল শিল্পবিপ্লবকে নিয়ে সেখানে এখন চলছে আলোচনা-সমালোচনা ও বিশ্লেষণ।

৪র্থ শিল্পবিপ্লবে প্রভাব বিস্তার করবে যেসব প্রযুক্তিঃ

শিল্পবিপ্লবে বড় ভূমিকা রাখবে ক্লাউড কম্পিউটিং, ইন্টারনেট অব থিংস (IoT), আর্টিফিশিয়াল ইন্টিলিজেন্স (AI),

ইন্টারনেট অব থিংস (IoT):

ইন্টারনেট অব থিংস, আমাদের চারপাশের সকল বস্তু যখন নিজেদের মধ্যে ইন্টারনেটের মাধ্যমে যোগাযোগ করবে এবং নেটওয়ার্ক গড়ে তুলবে, সেটাই ইন্টারনেট অব থিংস। ইতোমধ্যে আমরা গুগল হোম, এ্যামাজনের আলেক্সার কথা শুনেছি যা আপনার ঘরের বাতি, সাউন্ড সিস্টেম, দরজাসহ অনেক কিছুই নিয়ন্ত্রণ করে।

উদাহরণ স্বরুপ : বাজার করতে হবে?

ফ্রিজ খোলার দরকার নেই, আপনার ফ্রিজ নিজেই ভিতরে কী আছে তা জেনে আপনাকে জানাবে বা নিজেই সরাসরি অনলাইনে অর্ডার দিয়ে কিনে ফেলতে পারবে।

আপনার কাজ কমে গেল।

আপনার বাসার চুলাকে আপনি একবার শিখিয়ে দেবেন কখন কি খেতে পছন্দ করেন। ধরেন বৃষ্টির দিনে আপনি খিচুড়ি ভালবাসেন, আপনার চুলা সেটা মনে রাখবে এবং বাইরে বৃষ্টি পড়লে সেদিন আপনার জন্য খিচুড়ি রান্না করে রাখবে।

ক্লাউড কম্পিউটিং:-

ক্লাউড কম্পিউটিং মানে আপনার কম্পিটারের হার্ডডিস্কের ওপর আর চাপ থাকছে না। যে কোন স্টোরেজ, সফটওয়্যার এবং যাবতীয় অপারেটিং সিস্টেমের কাজ চলে যাচ্ছে হার্ড ডিস্কের বাইরে। শুধু ইন্টারনেট থাকলেই ক্লাউড সার্ভারে কানেক্ট হয়েই সব সুবিধা নেয়া যাবে। কম্পিউটারের হার্ড ডিস্ক নষ্ট হওয়া বা সমস্যা হওয়ার সুযোগ থাকলেও ক্লাউড সার্ভার ডাউন হওয়ার সুযোগ নেই। যেহেতু এতে আলাদা কোন সফটওয়্যার কেনার প্রয়োজন হয় না বা কোন হার্ডওয়্যার এর প্রয়োজন হয় না, তাই স্বাভাবিকভাবেই খরচ কম। ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের কাজগুলো যে কোন স্থানে বসেই মোবাইলের মাধ্যমে কন্ট্রোল করা যায় এবং কম্পিউটিংয়ের সফটওয়্যারগুলো আপনার আপডেট করার প্রয়োজন নেই। এগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপডেট হয়ে থাকে।

আর্টিফিসিয়াল ইন্টিলিজেন্স বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাঃ-

আর্টিফিসিয়াল ইন্টিলিজেন্সকে মেশিন ইন্টিলিজেন্সও বলা হয়। কম্পিটার সাইন্সের উৎকৃষ্টতম উদাহরণ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা। আর্টিফিসিয়াল ইন্টিলিজেন্স যে চারটি কাজ মূলত করে তা হলো-1.কথা শুনে চিনতে পারা 2.নতুন জিনিস শেখা 3.পরিকল্পনা করা 4.সমস্যার সমাধান করা।

মূলত এসব সুবিধাসমুহই যখন বিভিন্ন বস্তুতে যোগ করা হয় তখনই সেটা হয় ইন্টারনেট অব থিংস। এখন প্রায় সকল স্মার্টফোনেই আর্টিফিসিয়াল ইন্টিলিজেন্সের ব্যবহার হচ্ছে  ভবিষ্যতে ও হবে…. আরো কিছু বিস্ময়ের জন্য অপেক্ষ… পরবর্তী প্রজন্মের….



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

April 2021
M T W T F S S
« Mar    
 1234
567891011
12131415161718
19202122232425
2627282930